খাবারের পরিমাণ ও মান নিয়ে অসন্তোষ, রান্নার গোষ্ঠী পরিবর্তনের নির্দেশ

মুরারই, ৯ সেপ্টেম্বর: বুধবার দুপুরে আচমকা স্কুল পরিদর্শনে গিয়ে পড়ুয়াদের সঙ্গে বসে মিড-ডে মিল খেলেন মুরারই-১ ব্লকের BDO এইচ এম রিয়াজুল হক। এদিন পলসা পঞ্চায়েতের কাহিনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পৌঁছে মিড-ডে মিলের রান্না, খাবারের গুণমান, পরিমাণ এবং সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখেন তিনি।

পাশাপাশি কাহিনগর লক্ষ্মীমণি বিদ্যাপীঠ পরিদর্শন করেন BDO। সেখানে প্রায় ১৪০ জন ছাত্রছাত্রীর জন্য মিড-ডে মিল রান্না করা হলেও খাবারের পরিমাণ প্রত্যাশার তুলনায় অনেকটাই কম এবং রান্নার গুণমানও সন্তোষজনক নয় বলে তাঁর নজরে আসে। বিষয়টি নিয়ে স্কুলের TIC-এর কাছে জানতে চান BDO।
TIC-এর বক্তব্য, রান্নার জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী এবং নির্ধারিত পরিমাণ তাঁর পক্ষ থেকে যথাযথভাবে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রান্নার দায়িত্বপ্রাপ্ত গোষ্ঠীর মহিলাদের কারণে খাবারের পরিমাণ ও গুণমানে সমস্যা হয়েছে বলে তিনি জানান।
এরপরই BDO এইচ এম রিয়াজুল হক TIC-কে রান্নার দায়িত্বে থাকা ওই গোষ্ঠী পরিবর্তনের নির্দেশ দেন। পড়ুয়াদের জন্য নির্ধারিত মিড-ডে মিলের পরিমাণ ও গুণমান বজায় রাখার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্কও করেন তিনি।

এদিনের পরিদর্শনে BDO-র সঙ্গে ছিলেন মুরারই-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বিপ্লব শর্মা, শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ দোস্ত মোহাম্মদ, ফাল্গুনী সিংহ-সহ পঞ্চায়েত সমিতির অন্যান্য সদস্যরা।
প্রশাসনের এই আকস্মিক পরিদর্শনে মূল বার্তা স্পষ্ট—পড়ুয়াদের খাবারের ক্ষেত্রে কোনওরকম গাফিলতি বা আপস বরদাস্ত করা হবে না
